বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

বহুনির্বাচনি ও সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর | তৃতীয় অধ্যায় | বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় | অষ্টম শ্রেনী

প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা কেমন আছো তোমরা।  আশা করি সবাই ভালো ও সুস্থ আছো।  আবারো তোমাদের মাঝে  চলে আসলাম নতুন একটি পাঠ আলোচনা নিয়ে। তবে আজকের পাঠ আলোচনা হতে চলছে পূর্বের গুলের থেকে ভিন্ন।  আমরা এখন থেকে প্রত্যেক অধ্যায়ের বহুনির্বাচনি, জ্ঞানমূলক ও অনুধাবন মূলক প্রশ্নগুলে নিয়ে নিয়ে আলোচনা করবো। যেগুলে খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সেগুলোই আমরা আলোচনা করবো।  তো চলো শুরু করা যাক আজকে প্রশ্ন ও উত্তরের পাঠ আলোচনা।

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক পরিবর্তন ও উন্নয়ন

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন

১. পূর্বের যানবাহন গরুর গাড়ির পরিবর্তে বর্তমানে মোটর গাড়ির ব্যবহার এটিকে বলে-

ক)সামাজিক পরিবর্তন

খ)সাংস্কৃতায়ন

গ) সাংস্কৃতিক আতীকরণ

ঘ) সাংস্কৃতিক পরিবর্তন

প্রশ্ন সম্পর্কিত তথ্য:

সংস্কৃতি এক প্রজন্ম হতে অন্য প্রজন্মে- স্থানান্তরিত হয়। অন্য সংস্কৃতির সংস্পর্শে এসে সংস্কৃতি- পরিবর্তিত হয়।

২.বাঙালিরা ইংরেজ শাসকের অধীনে থাকায় অনেক ইংরেজি শব্দ বাংলায় মিশে আছে, এটিকে কী বলে?

ক)সাংস্কৃতিক আদর্শ

খ)সাংস্কৃতায়ন

গ)সাংস্কৃতিক ব্যাপ্তি

ঘ)সাংস্কৃতিক আত্তীকরণ

প্রশ্ন সম্পর্কিত তথ্য:

আমাদের দেশ বহুবার শাসিত হয়েছে- বহিরাগত শাসক দ্বারা। সাংস্কৃতায়ন প্রক্রিয়ার কারণ- ভিন্ন সংস্কৃতি।

৩. বাঙালি পুরুষেরা পহেলা বৈশাখে পাঞ্জাবি ও মেয়েরা শাড়ি পরে। এটাকে কী বলে?

ক) সাংস্কৃতিক আদর্শ

খ) সাংস্কৃতিক ব্যাপ্তি

গ) সাংস্কৃতায়ন

ঘ) সাংস্কৃতিক আত্তীকরণ

প্রশ্ন সম্পর্কিত তথ্য:

সাংস্কৃতিক আদর্শ

সাংস্কৃতায়ন

প্রতিটি দেশ বা সমাজের- নিজস্ব সাংস্কৃতিক আদর্শ রয়েছে।

সাংস্কৃতিক আদর্শ হচ্ছে- কোনো দেশ বা সমাজের সংস্কৃতির ধরন।

৪. নিচের কোনটি শিক্ষার সাংস্কৃতিক উন্নয়নের ফল?

ক) শ্রেণিকক্ষে স্পিকার ব্যবহার

খ)শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের দলগত কাজ করা

গ) শিক্ষার্থীর বাড়ির কাজ প্রদর্শন

ঘ) শিক্ষার্থীর মুখস্ত পড়া

৫. সামাজিক পরিবর্তনের ফলে সমাজ কাঠামোর ক্ষেত্রে নিচের কোনটি ঘটে?

ক)উন্নতি

খ)অবনতি

গ) স্থবিরতা

ঘ)রূপান্তর

৬. মাত্র কুড়ি বছরের সৃষ্টিশীল জীবনে প্রায় ছয় হাজারের মতো গান লিখেছেন-

ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

খ)দ্বিজেন্দ্রলাল রায়

গ) কাজী নজরুল ইসলাম✅

ঘ)অতুল প্রসাদ সেন

৭. চট্টগ্রামের মেয়ে শামীমাকে সিলেটে বিয়ে দেয়া হয়েছে। যে এখন শ্বশুর বাড়ির রীতিনীতি মেনে কাজ করার চেষ্টা করছে। শামীমার ক্ষেত্রে কোনটি ঘটেছে?

ক)সংস্কৃতায়ন

খ)সাংস্কৃতিক আত্তীকরণ✅

গ)সাংস্কৃতিক ব্যাপ্তি

ঘ) সাংস্কৃতিক আদর্শ

৮. কোনটি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির কাজ?

ক)বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উন্নতির জন্য কাজ করা

খ)ছবি আঁকা, নাচ, গান ইত্যাদির প্রসার করা✅

গ) ইতিহাসের নানা নিদর্শন সংগ্রহ ও প্রদর্শন করা

ঘ)শিশুদের মননশীলতা বিকাশে ভূমিকা রাখা

৯. অঞ্চলিক ভাষার অভিধান রচনা কার অবদান?

ক)ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ✅

খ)ড. এনামুল হক

গ) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী

ঘ)আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ

১০. ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী কোনটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?

ক)বাংলা একাডেমি

খ)শিশু একাডেমি

গ) শিল্পকলা একাডেমি

ঘ)জাতীয় যাদুঘর

১১. আমরা আমাদের ‘জাতীয় সংগীত’ কোন গানের সুরে গাই?

ক) বাউল ✅

খ)ভাটিয়ালী

গ) ভাওয়াইয়া

ঘ) লালনের

১২. কান্তজির মন্দির কোথায় অবস্থিত?

ক)রাজশাহী

খ)বগুড়া

গ) পাহাড়পুর

ঘ)দিনাজপুর✅

১৩. বাংলা একাডেমিকে জাতির মননের প্রতীক বলা হয়, কারণ এটি-

ক) শিল্পকলা ও সাহিত্যচর্চায় শিশুদের উৎসাহিত করে

খ)বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উন্নতির জন্য কাজ করে ✅

গ) বাংলা সংস্কৃতি ও নৃত্য নিয়ে গবেষণা করে

ঘ)সংগীত, নাটক, নৃত্য প্রভৃতির পৃষ্ঠপোষকতা করে

১৪. মানুষের জীবনযাপনের ধারাকে কী বলে?

ক) সংস্কৃতি

খ) অধিকার

গ)উন্নয়ন

ঘ শিল্পকলা

১৫. দশ মাস বয়সী সায়মন ইদানীং এক পা দুই পা করে হাঁটছে। কিছুদিন আগেও সে শুধু বসতে পারতো। সায়মনের হাঁটতে শেখাকে কী বলে?

ক) শারীরিক উন্নয়ন ✅

খ)দৈহিক পরিবর্তন

গ)শারীরিক রূপান্তর

ঘ) মানসিক পরিবর্ধন

১৬. সংস্কৃতি কয় প্রকার?

ক) এক

খ) দুই✅

গ)তিন

ঘ) চার

১৭. সমাজবিজ্ঞানীরা উন্নয়ন বলতে কোন কথাটি নির্দেশ করেন?

ক)সামাজিক উন্নয়ন

খ) সামাজিক অগ্রগতি✅

গ) সামাজিক বিকাশ

ঘ) সামাজিক সম্প্রীতি

১৮. কীভাবে সংস্কৃতি রূপ বদল করে?

ক)অন্য সংস্কৃতির প্রভাবে

খ) বিশ্বায়নের মাধ্যমে

গ) অন্য সংস্কৃতির সংস্পর্শে এসে✅

ঘ)সংস্কৃতি রূপ বদলযোগ্য নয়

১৯. সংস্কৃতির রূপ বদলকে কী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়? (জ্ঞান)

ক) সাংস্কৃতিক পরিবর্তন✅

খ)সাংস্কৃতিক আগ্রাসন

গ) সাংস্কৃতিক বিবর্তন

ঘ) সাংস্কৃতিক পরিবর্ধন,

২০. একসময় উন্নয়ন বলতে কোনটিকে বোঝানো হতো? (অনুধাবন)

ক) সামাজিক অগ্রগতি

খ)অর্থনৈতিক অগ্রগতি

গ)রাজনৈতিক অগ্রগতি

ঘ) সাংস্কৃতিক অগ্রগতি

২১. কোনো কিছু শুরু থেকে ক্রমশ পরিপূর্ণতা লাভ করাকে কী বলে? (জ্ঞান)

ক)অগ্রগতি

খ)রূপান্তর

গ)বিবর্তন

ঘ)উন্নয়ন

২২. শুভ জাদুঘরে গিয়ে মোঘল আমলের প্লেট ও গ্লাস দেখতে পায়। এখানে কোন ধরনের সংস্কৃতির কথা বলা হয়েছে?

ক) প্রথাগত

খ) বস্তুগত✅

গ)অবস্তুগত

ঘ)পরিমাণগত

২৩. সেলিম একজন শিক্ষক। তার আচার-ব্যবহার অনেক ভালো। রায়হানের মধ্যে সংস্কৃতির কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? (প্রয়োগ)

ক)বস্তুগত

খ)অবস্তুগত✅

গ)প্রথাগত

ঘ)ঘরূপগত

জ্ঞান মূলক প্রশ্ন

প্রশ্ন-১. সামাজিক উন্নয়ন কী?

উত্তর : সামাজিক উন্নয়ন হলো এক ধরনের সামাজিক পরিবর্তন।

প্রশ্ন-২. চর্যাপদের কাল নির্ণয় করেন কে?

উত্তর : চর্যাপদের কাল নির্ণয় করেন ভাষাবিদ ড. মোঃ শহিদুল্লাহ।

প্রশ্ন-৩. টেরাকোটা কাকে বলে?

উত্তর : মাটির ফলক বা পাত তৈরি করে তাতে ছবি খোদাই করে পুরো স্থায়ী রূপ দেওয়া হলে সেটিকে টেরাকোটা বলা হয়।

প্রশ্ন-৪. কোন সমাজে পুঁথি সাহিত্যের ব্যাপক কদর ছিল?

উত্তর : মুসলমান সমাজের পুঁথি সাহিত্যের ব্যাপক কদর ছিল।

প্রশ্ন-৫. ইংরেজরা কত বছর আমাদের শাসক ছিল?

উত্তর: ইংরেজরা দুইশত বছর আমাদের শাসক ছিল।

প্রশ্ন-৬, যৌথ পরিবার ভেঙে কীরূপ পরিবার গড়ে উঠছে?

উত্তর: যৌথ পরিবার ভেঙে একক পরিবার গড়ে উঠছে।

প্রশ্ন-৭. কান্তজি মন্দির কোন জেলায় অবস্থিত?

উত্তর: কান্তজি মন্দির দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত।

প্রশ্ন-৮. কান্তজি মন্দিরের শিল্পকর্মে কীসের কাহিনি ফুটে উঠেছে?

উত্তর: কান্তজির মন্দিরে রামায়ণের কাহিনি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

প্রশ্ন-৯. কোথায় প্রচুর পোড়ামাটির কাজ আছে?

উত্তর: পাহাড়পুরের সোমপুর বিহারে প্রচুর পোড়ামাটির কাজ আছে।

প্রশ্ন-১০. বাংলার কোন শিল্পের সুনাম বহুকালের?

উত্তর: বাংলার তাঁতশিল্পের সুনাম বহুকালের।

প্রশ্ন-১১. বাংলার কোন কাপড় নিয়ে কিংবদন্তির সৃষ্টি হয়েছিল?

উত্তর: বাংলার মসলিন কাপড় নিয়ে কিংবদন্তির সৃষ্টি হয়েছিল।

প্রশ্ন-১২. এন্ডি বা মুগা জাতীয় সিল্ক তৈরি হতো কোথায়?

উত্তর: এন্ডি বা মুগা জাতীয় সিল্ক তৈরি হতো মগধ ও পুণ্ডে।

প্রশ্ন-১৩. পণ্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কোথা থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন?

উত্তর: পণ্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যাপদ

আবিষ্কার করেন।

প্রশ্ন-১৪. চর্যাপদের কাল নির্ণয় করেন কে?

উত্তর: চর্যাপদের কাল নির্ণয় করেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।

প্রশ্ন-১৫. কত বছর আগে চর্যাপদ লেখা হয়েছিল?

উত্তর: প্রায় দেড় হাজার বছর আগে চর্যাপদ লেখা হয়েছিল।

প্রশ্ন-১৬. কারা চর্যাপদ লিখেছিলেন?

উত্তর: বৌদ্ধ সাধকরা চর্যাপদ লিখেছিলেন।

প্রশ্ন-১৭. কোন আমলে বাংলায় কীর্তন গান রচনার জোয়ার আসে?

উত্তর: সুলতানি আমলে বাংলায় কীর্তন গান রচনার জোয়ার আসে।

প্রশ্ন-১৮, দেশীয় দেবদেবিদের নিয়ে রচিত কাব্যকাহিনী কী নামে পরিচিত?

উত্তর: দেশীয় দেবদেবিদের নিয়ে রচিত কাব্যকাহিনী মঙ্গলকাব্য নামে পরিচিত।

প্রশ্ন-১৯, মনসামঙ্গলের রচয়িতা কে?

উত্তর: মনসামঙ্গলের রচয়িতা হলেন বিজয়গুপ্ত।

প্রশ্ন-২০. কোন সমাজে পুঁথি সাহিত্যের ব্যাপক কদর ছিল? উত্তর: মুসলমান সমাজে পুঁথি সাহিত্যের ব্যাপক কদর ছিল।

প্রশ্ন-২১. কে পদ্মাবতী রচনা করেছেন?

উত্তর: আলাওল পদ্মাবতী রচনা করেছেন।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন

প্রশ্ন-১. বাঙালির প্রথম সাহিত্যকর্মের ব্যাখ্যা দাও।

উত্তর: বাঙালির প্রথম যে সাহিত্যকর্মের সন্ধান পাওয়া যায় তা চর্যাপদ নামে পরিচিত। পণ্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী প্রথম নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কার করেন। তারই সম্পাদনায় ৪৭টি পদবিশিষ্ট পুঁথিখানি ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ কর্তৃক প্রকাশিত হয়। পণ্ডিতগণ চর্যাপদের ভাষাকে ‘আলো আঁধারি’ বা ‘সান্ধ্য ভাষা’ নামে অভিহিত করেছেন। এ চর্যাগীতির বিখ্যাত রচয়িতাদের মধ্যে লুইপা, কাহ্নপা, ভুসুকুপা, কুক্কুরিপা, ঢেন্টনপা অন্যতম।

প্রশ্ন-২. সংস্কৃতিক উন্নয়ন  বলতে কী বোঝ?

উত্তর: আধুনিক প্রযুক্তি বা বস্তুগত সংস্কৃতির দ্রুত পরিবর্তন ও উন্নয়নের ফলে সমাজ ও সংস্কৃতির যে পরিবর্তন হয় তাই হলো সাংস্কৃতিক উন্নয়ন। বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নে গোটা বিশ্ব একটি বিশ্ব গ্রামে রূপান্তরিত হয়েছে। এখন ঘরে বসে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের খবর খুব সহজেই জানা যায়। এক সংস্কৃতি সহজেই অন্য সংস্কৃতির সংস্পর্শে চলে আসে। আর এভাবেই প্রযুক্তি সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের মাধ্যমে উন্নয়ন ঘটায়।

প্রশ্ন-৩. তাবস্তুগত সংস্কৃতি বলতে কী বোঝ?

উত্তর: সংস্কৃতির একটি ধরন হচ্ছে অবস্তুগত সংস্কৃতি। সংস্কৃতির যে অংশ উপলব্ধির উপর নির্ভরশীল তাই অবস্তুগত সংস্কৃতি। সংগীত, সাহিত্য, শিল্পকলা, মানুষের দক্ষতা, জ্ঞান, চিন্তা- ভাবনা, আচার-ব্যবহার, বিশ্বাস, ধ্যান-ধারণা ইত্যাদি অবস্তুগত সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্ত। 

প্রশ্ন-৪, সাংস্কৃতিক ব্যাপ্তি বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: সাংস্কৃতিক সংমিশ্রণের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক প্রসার বা ব্যাপ্তি ঘটে। সাধারণত দুইটি সমাজের সংস্কৃতি একে অপরের সংস্পর্কে এসে একে অপরকে প্রভাবিত করে। এই কাছে আসা যত বেশি এবং দীর্ঘস্থায়ী হবে সংস্কৃতির আদান-প্রদান তত বেশি হবে। এর মাধ্যমে একে অপরের সংস্কৃতির কিছু না কিছু গ্রহণ করবে। সংস্কৃতির এই চলমান গতিধারা এবং এক সমাজ থেকে আরেক সমাজে সংস্কৃতির প্রসার লাভকে সাংস্কৃতিক ব্যাপ্তি বলে।

তো শিক্ষার্থী বন্ধুরা আমাদের আজকের এই পাঠ আলোচনা এই পর্যন্ত।  আশা করি সবাই আজকের পাঠ আলোচনা থেকে অনেকগুলো প্রশ্নের সমাধান পেয়েছে এবং নিজেকে যাচাই করার সুযোগ পেয়েছো।  আবারও দেখা হবে নতুন কোন পাঠ আলোচনায়।  সে পর্যন্ত সবাই ভালো ও সুস্থ থাকবে।

আল্লাহ হাফেজ

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button