কৃষিশিক্ষা

বাংলাদেশের কৃষি ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট | কৃষিশিক্ষা | অষ্টম শ্রেনী

প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা।  কেমন আছো তোমরা?  আশা করি প্রত্যেকেই অনেক ভালো আছো।  তো আজকের আমরা আলোচনা করবো তোমাদের কৃষি শিক্ষা বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় “বাংলাদেশের কৃষি ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট” নিয়ে। আশা করি তোমরা সম্পূর্ণ পাঠ আলোচনাটি সঠিক ভাবে পড়বে এবং কিছু শিখার ও জানান চেষ্টা করবে।  তো চলো মূল আলোচনা শুরু করা যাক –

আমাদের দেশের নাম বাংলাদেশ।  এদেশের    অর্থনীতির মেরুদণ্ড বলা হয় কৃষির খাত । সেই স্বাধীনতার পর যে বিশ্বের বুকে নতুন এক রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিল, সে দেশেটাই এই বাংলাদেশ।  ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই এদেশকে বর্তমান পর্যায়ে আনার আসল ও প্রকৃত অর্থনৈতিক খাতটি হচ্ছে কৃষি। কৃষির ওপরে ভর করেই আজকেই এই বাংলাদেশ।

এই শিল্পায়নের যুগেও বাংলাদেশ কৃষির উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। আন্তর্জাতিক কৃষির সাথে তুলনা করলে অনেক ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে। বাংলাদেশ যেমন কৃষিপ্রধান দেশ আর আমরা মাছে-ভাতে বাঙালি তবুও ধান উৎপাদনে আমরা ভিয়েতনাম, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান প্রভৃতি দেশ হতে অনেক পিছিয়ে আছি। আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের কৃষিবিজ্ঞানীরা প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে যাচ্ছেন। একসময় বাংলাদেশে বিশ্বের ৭৫ ভাগ পাট উৎপাদন হতো।

কিন্তু ধানের চাহিদা ও কৃত্রিম আঁশের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার কারণে পাটের উৎপাদন কৃষকরা কমিয়ে দিয়েছেন। তবুও পাট জাতীয় আয় বৃদ্ধিতে বেশি অবদান রাখছে। পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে। বাংলাদেশের বাজারে শুধু যে বাংলাদেশের পণ্যই পাওয়া যায় তা নয়। প্রতিবেশী দেশের পণ্যও বাজারে প্রবেশ করেছে। এতে বাংলাদেশের সাথে অন্য দেশের একটি প্রতিযোগিতামূলক বাজার সৃষ্টি হয়েছে।

বাংলাদেশের কৃষির বর্তমান অবস্থা , বাংলাদেশের কৃষি বিপ্লব , বাংলাদেশে কৃষির গুরুত্ব , বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতি , কৃষিতে বাংলাদেশের অবস্থান ২০২৩ , বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্র কয়টি , কৃষিতে বর্তমান সরকারের সাফল্য ২০২৩ , বাংলাদেশের কৃষির বৈশিষ্ট্য , বাংলাদেশের কৃষির সমস্যা ও সম্ভাবনা , বাংলাদেশের কৃষির অগ্রগতি , কৃষিপণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান ২০২৩ ,
বাংলাদেশের কৃষি অনুচ্ছেদ

কৃষিতে বিজ্ঞানীদের অবদান

কৃষিতে বিজ্ঞানীদের অবদান অনেক। বিজ্ঞানীরা দীর্ঘকাল পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বিষয় কৃষির সাথে যুক্ত করে কৃষি কর্মকাণ্ডকে আধুনিকায়ন করেছেন। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষকরা যেমন বিজ্ঞানী হতে পারেন তেমনি কৃষকরাও বিজ্ঞানী হতে পারেন। আদি কৃষির উৎপত্তি সাধারণ মানুষের হাতেই। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষকরা জলবায়ু, পরিবেশ, মাটি, পানি, উৎপাদন পদ্ধতি এসব বিষয় বিবেচনায় এনে উচ্চতর গবেষণা করছেন। তাদের নিরলস গবেষণার ফলে কৃষিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন প্রযুক্তি।

বাংলাদেশের কৃষির সমস্যাগুলো দৃষ্টিগোচরে আনা জরুরি। এ দেশের প্রধান সমস্যাগুলো হচ্ছে-

  • পুষ্টির সমস্যা
  • সার ব্যবস্থাপনা সমস্যা
  • ন্যা ও খরা সমস্যা
  • লবণাক্ততা সমস্যা
কৃষিতে বিজ্ঞানীদের অবদান কি?

 উত্তর : সাধারণভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য  কৃষিবিদরা বাংলাদেশের  আজ এক অনন্য  মর্যাদাবান পেশাজীবী হিসেবে পরিচিত। কৃষি বিজ্ঞানীদের গবেষণা ফলে  ফসলের নতুন নতুন জাত উদ্ভাবনের হয়ে বাংলাদেশে আজ খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি  বিভিন্ন সূচকে বিশ্বের জন্য ভালো কিছু বয়ে আনছে। ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ বর্তমানে  ৪র্থ অবস্থানে রয়েছে এবং  সবজি উৎপাদনে ৩য়।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান কত শতাংশ?

 উত্তর : বাংলাদেশে কর্মসংস্থানকে যে খাত ধরে রেখেছে তার নাম হচ্ছে কৃষি। ২০১৮ সালের বাংলাদেশের একটি অর্থনৈতিক সমীক্ষা হয়। সেই অর্থনৈতিক সমীক্ষার তথ্যমতে, এটি দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪০.৬ ভাগের যোগান দিয়ে থাকে এবং দেশের GDP তে কৃষির অবদান ১৪.১০ শতাংশ ।

কৃষিকাজে বিজ্ঞান কি?

 উত্তর : কৃষি হলো বিজ্ঞান, খাদ্য এবং তন্তু উৎপাদন এবং প্রক্রিয়াকরণের সাথে সম্পর্কিত একটি বিজ্ঞান। যার মধ্যে বিদ্যমান  মাটি চাষ, ফসল চাষ ও শস্য সংগ্রহ, প্রাণী প্রজনন এবং মানুষের ব্যবহারের জন্য উদ্ভিদ এবং প্রাণীজাতীয় পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত।

বাংলাদেশের মানুষের জীবন, সংস্কৃতি এবং কৃষি আধুনিকায়ন

 

বাংলাদেশের মানুষের জীবন, সংস্কৃতি এবং কৃষি এক সুতোয় গাঁথা। প্রাচীনকাল থেকে কৃষিই ছিল এ দেশের মানুষের অন্যতম অবলম্বন। সময়ের ধারাবাহিকতায় সেই প্রাচীন কৃষিতে লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া। আধুনিক কৃষিবিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহার কৃষি উৎপাদনে বয়ে আনছে ব্যাপক সাফল্য। অথচ কৃষিপ্রধান এই দেশে এক সময় অভাব-অনটন লেগেই ছিল। এ ছাড়াও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে সংঘটিত দুর্ভিক্ষ সমগ্র বাংলাদেশকে গ্রাস করেছিল। জাপানি সেনাদের হাতে ধরা পড়ার ভয়ে বৃটিশ সরকার বাংলা ও আসামের খাদ্যগুদামের খাদ্যশস্য হয় পশ্চিমে স্থানান্তর করেছিল, নয় ধ্বংস করেছিল। দুর্বিষহ দুর্ভিক্ষে শুধু পূর্ব বাংলায় লক্ষ লক্ষ মানুষ মারা যায়। মহাযুদ্ধে দুর্বল হয়ে পড়লেও ঐ সময় বৃটিশ সরকার একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেয়।

আসাম ও বাংলার জন্য ঢাকার শেরে বাংলা নগরে একটি কৃষি ইন্সটিটিউট, কুমিল্লায় একটি ভেটেরিনারি কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি অনুষদ খুলে ডিগ্রি পর্যায়ে কৃষি শিক্ষা চালুর ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি কৃষি বিভাগ নামে একটি বিশেষায়িত দপ্তর চালু করা হয়। এতে তাৎক্ষণিকভাবে দুর্ভিক্ষাবস্থার উন্নতি না হলেও বাংলাদেশের কৃষির আধুনিকায়নের যাত্রা শুরু হয়। পাকিস্তান আমলে ১৯৬১ সালে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হয়। এদের নির্দেশনায় তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করার দক্ষ মাঠ কর্মী তৈরি করতে কিছু কৃষি সম্প্রসারণ ট্রেনিং ইন্সটিটিউট ও পশু চিকিৎসা ট্রেনিং ইন্সটিটিউট (AETI & VTI) স্থাপন করা হয়। প্রায় প্রতিটি জেলায় সরকারি কৃষি ফার্ম, পোল্ট্রি ফার্ম এবং কোথাও কোথাও ডেইরি ফার্ম চালু হয় প্রদর্শনী খামার হিসেবে। পাট, আখ, চা ইত্যাদি অর্থকরী ফসলের বিষয়ে গবেষণার জন্য একক গবেষণা ইন্সটিটিউট যথাক্রমে ঢাকা, ঈশ্বরদি ও শ্রীমঙ্গলে স্থাপিত হয়। গাজীপুরে কৃষি গবেষণা ও ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট স্থাপন করা হয়।

বাংলাদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ডটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর : বাংলাদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হলো কৃষি। ফসল, পশুপাখি, মাছ চাষ ও বন তৈরি করতে মাটির জৈবিক ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনাকে কৃষি বলা হয়। আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষের পেশা হলো কৃষি। বর্তমানে কৃষিতে বিভিন্ন উচ্চফলনশীল ফসল, পশুজাত দ্রব্যাদি তথা ডিম, দুধ, মাংস, চামড়ার অধিক উৎপাদন ও আয়বৃদ্ধি গ্রামীণ জীবনে ব্যাপক বিস্তার ঘটায়।  ফলে জনজীবনের পরিবর্তন তথা অগ্রগতি ঘটেছে। 

মাটি কৃষির প্রধান ক্ষেত্র কেন? ব্যাখ্যা কর। 

উত্তর: বাংলাদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হলো কৃষি। ফসল, পশুপাখি, মাছ চাষ ও বন তৈরি করতে মাটির জৈবিক ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনাকে কৃষি বলা হয়। আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষের পেশা হলো কৃষি। বর্তমানে কৃষিতে বিভিন্ন উচ্চফলনশীল ফসল, পশুজাত দ্রব্যাদি তথা ডিম, দুধ, মাংস, চামড়ার অধিক উৎপাদন ও আয়বৃদ্ধি গ্রামীণ জীবনে ব্যাপক বিস্তার ঘটায়। ফলে জনজীবনের পরিবর্তন তথা অগ্রগতি ঘটেছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কৃষির অগ্রগতি

আজকাল বিশ্বের দেশগুলোকে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ভাগ করা হয়। এই দেশগুলোই আবার শিল্পোন্নত ও কৃষি প্রধান দেশ হিসেবে পরিচিত করা হয়। শিল্পোন্নত দেশগুলো কৃষিতেও উন্নত। এ সকল দেশ তাদের কৃষিকে উন্নত করে শিল্পে পরিণত করেছে। অপরদিকে ‘কৃষিনির্ভর’ দেশের সরকার বা কৃষক সমাজ শুধু অর্থনৈতিক কারণে উন্নত কৃষি প্রযুক্তি আত্মস্থ ও ব্যবহার করতে পারছে না। আসল কথা হচ্ছে আজ অনুন্নত দেশগুলো কৃষিতে অনুন্নত এবং উন্নত দেশগুলো কৃষিতেও উন্নত।

স্বাধীন বাংলাদেশের কৃষির অগ্রগতি 

স্বাধীন বাংলাদেশের যাত্রাকালে দেশে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, একটি কৃষি কলেজ, একটি ভেটেরিনারি ট্রেনিং ইন্সটিটিউট ও কয়েকটি কৃষি সম্প্রসারণ ট্রেনিং ইন্সটিটিউট ছিল। এখন চারটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং একটি ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয় চালু আছে। এর পাশাপাশি প্রায় সকল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি ও পশুপালন অনুষদ চালু আছে। বর্তমানে সকল কৃষি ফসলের জন্য বিশেষায়িত গবেষণাগার রয়েছে। প্রতি বছর শহর ও গ্রামাঞ্চলে কৃষি মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বাংলাদেশি বিজ্ঞানী কর্তৃক পাটের জেনেটিক ম্যাপ আবিষ্কার একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা, অর্থাৎ বাংলাদেশে কৃষির আধুনিক যুগের সূচনা হয়েছে।

ভারতের কৃষি

ভারত একটি বৃহৎ ও ভৌগোলিক বৈচিত্র্যের দেশ। ভারতের কিছু মরু অঞ্চল ছাড়া সমগ্র পার্বত্য ও সমতল অঞ্চলই কৃষিপ্রধান। কৃষি পরিবেশেও দেশটি বৈচিত্র্যময়। ফলে শস্য, ফুল, ফল, সবজি, মাংস, দুধ, ডিম এমন কোনো কৃষিজ পণ্য প্রায় নেই যা ভারতে উৎপন্ন হয় না কিংবা বাজারে পাওয়া যায় না। ভারতের কৃষিবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শুধু ভারতের কৃষি ব্যবস্থার কাজে লাগছে না, বিশ্বও উপকৃত হচ্ছে। ভারতীয় কৃষিজ পণ্যের অন্যতম আমদানিকারক দেশ হচ্ছে বাংলাদেশ।

চীনের কৃষি

পরিকল্পিত উৎপাদন ও বণ্টন ব্যবস্থার সুবিধাগুলো সমাজতান্ত্রিক চীনের কৃষি ব্যবস্থার। উন্নয়নে খুবই সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। বিশ্বের সর্ববৃহৎ জনসংখ্যার দেশ হলেও চীনে খাদ্য ঘাটতির কথা শোনা যায় না। প্রতি হেক্টরে সর্বোচ্চ পরিমাণ ধান, গম, ভুট্টা উৎপাদনের ক্ষমতা চীনা কৃষক ও বিজ্ঞানীদের কব্জায় রয়েছে। হাইব্রিড ধান বীজের জনক চীন। এখন পর্যন্ত চীন থেকেই সবচেয়ে বেশী হাইব্রিড ধান বীজ আমাদের দেশে আমদানি হয়। চীনা প্রযুক্তি শেখা ও আমাদের মাঠ পর্যায়ে প্রয়োগ করা জরুরি হয়ে দেখা দিয়েছে।

ভিয়েতনামের কৃষি

ভিয়েতনামের অগ্রগতিতে তাদের কৃষক সমাজ ও কৃষির অবদান বিরাট। বিশেষ করে বিশ্বের অন্যতম প্রধান চাল রপ্তানিকারক দেশ আজ ভিয়েতনাম। কৃষি প্রযুক্তি বিকাশে গত কয়েক বছরে এদের সাফল্য বিস্ময়কর। ওদের কাছে আমাদের শেখার রয়েছে অনেক। কৃষির উন্নয়নের বিষয়টি দেশ বা অঞ্চলের সীমানা ছাড়িয়ে আজ আন্তর্জাতিক বা বৈশ্বিক গুরুত্ব লাভ করেছে।

ভিয়েতনামের কৃষির উন্নতির কারণ ব্যাখ্যা কর। 

উত্তর : ভিয়েতনামের কৃষক সমাজ অত্যন্ত সংগঠিত। ভিয়েতনামের কৃষি সমবায় সংগঠনগুলোও অত্যন্ত শক্তিশালী ও সৃজনশীল। এরা এতো শক্তিশালী যে এরা স্থানীয় সরকারের বাৎসরিক ব্যয়ের অন্তত ৫০% যোগান দিয়ে থাকে। স্থানীয় কৃষি গবেষণা ও কৃষি সম্প্রসারণ প্রতিষ্ঠানগুলোকেও তারা আর্থিক সহায়তা দেয়। এই সকল সংগঠন কৃষিনীতি ও কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করে ভিয়েতনামের কৃষির উন্নতি ঘটায়।

কৃত্রিম রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর একটি উপায় ব্যাখ্যা কর ।

উত্তর : কৃত্রিম রাসায়নিক সারের উপর নির্ভরশীলতা কমানোর একটি উপায় হলো অণুজীব সার প্রয়োগ। এ ধরনের সার প্রয়োগে মাটির উর্বরতা বাড়ে, মাটিস্থ ফসফেট দ্রবীভূত হয়ে ফসলের গ্রহণোপযোগী হয়। যে নির্বোপরি ফসলের ফলন ও গুণগতমান বৃদ্ধি পায়।

তো শিক্ষার্থী বন্ধুরা,  আমাদের আজকের পাঠ আলোচনা এই পর্যন্তই। তোমার যেন খুব সহজেই বুজতে পারো আমরা ঠিক সেভাবেই সহজভাবে আলোচনা করি। আশা করি তোমরা আজকের পাঠ আলোচনা  ভালো ভাবে বুঝতে ও এর থেকে কিছু শিখতে পেরেছো।  আবার দেখা হবে নতুন কোন পাঠ আলোচনায়। সে পর্যন্ত সবাই ভালো ও সুস্থ থাকবে এই কামনাই করি।

আল্লাহ হাফেজ!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button