বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

বহুনির্বাচনি ও সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর | নবম অধ্যায় | বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় | অষ্টম শ্রেনী

প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা কেমন আছো তোমরা।  আশা করি সবাই ভালো ও সুস্থ আছো।  আবারো তোমাদের মাঝে  চলে আসলাম নতুন একটি পাঠ আলোচনা নিয়ে। তবে আজকের পাঠ আলোচনা হতে চলছে বিগত আলোচনা  গুলির থেকে ভিন্ন।  আমরা এখন থেকে প্রত্যেক অধ্যায়ের বহুনির্বাচনি, জ্ঞানমূলক ও অনুধাবন মূলক প্রশ্নগুলে নিয়ে নিয়ে আলোচনা করবো। যেগুলে খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সেগুলোই আমরা আলোচনা করবো।  তো চলো শুরু করা যাক আজকে প্রশ্ন ও উত্তরের পাঠ আলোচনা।

সৃজনশীল বহুনির্বাচনি

  1. একটি দেশের উন্নতি নির্ভর করে সে দেশের- অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও জনসংখ্যানীতি প্রয়োগের ওপর।
  2. নারীশিক্ষা প্রসারে- সরকার ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
  3. জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করা যায়- শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে।
  4. তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে এগিয়ে আছে- ভারত
  5. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ভারতীয় জনশক্তির অবদান- ২৩ ভাগ।

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন-১. জনসংখ্যার সাথে কোন ধারণাটি সম্পর্কিত?

উত্তর: জনসংখ্যার সাথে উন্নয়ন ধারণাটি সম্পর্কিত।

প্রশ্ন-২. কোন দেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৩৫ জন লোক বাস করে?

উত্তর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।

প্রশ্ন-৩. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাথাপিছু আয় কত?

উত্তর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাথাপিছু আয় ৫৮,০৩০ মার্কিন ডলার।

প্রশ্ন-৪. জনসংখ্যা নীতি কী?

উত্তর: একটি দেশের জনসংখ্যার সার্বিক উন্নয়নের জন্য জাতীয় পর্যায়ে যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, তাই জনসংখ্যা নীতি।

প্রশ্ন-৫. কীসের সাথে সামঞ্জস্য রেখে জনসংখ্যানীতি প্রণয়ন করা হয়?

উত্তর: দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার সাথে সামঞ্জস্য রেখে জনসংখ্যানীতি প্রণয়ন করা হয়।

প্রশ্ন-৬. বাংলাদেশের জনসংখ্যানীতির মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কয়টি?

উত্তর: বাংলাদেশের জনসংখ্যানীতির মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ৭টি।

প্রশ্ন-৭. জনসংখ্যা সম্পর্কে বাংলাদেশের স্লোগানে কতটি সন্তানের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে?

উত্তর: ২টি।

প্রশ্ন-৮. সরকার কেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে?

উত্তর: নিরক্ষরতা দূর ও শিক্ষার হার বাড়ানোর জন্য।

প্রশ্ন-৯. প্রতিবছর ২রা ফেব্রুয়ারি কোন দিবস পালন করা হয়?

উত্তর: প্রতি বছর ২রা ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় জনসংখ্যা দিবস’ পালন করা হয়।

প্রশ্ন-১০. ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের কী প্রদান করা হচ্ছে?

উত্তর: ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।

প্রশ্ন-১১. কত সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘ পুরস্কার লাভ করে?

উত্তর: ২০১০ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘ পুরস্কার লাভ করে।

প্রশ্ন-১২. NGO-এর পূর্ণরূপ কী?

উত্তর: NGO-এর পূর্ণরূপ Non Government Organization।

প্রশ্ন-১৩. বাংলাদেশ সরকার কি ধরনের জাতীয় লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে?

উত্তর: বাংলাদেশ সরকার দুইটি সন্তানের পরিবার গড়ার জাতীয় লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন-১. জনসংখ্যাকে কীভাবে জনসম্পদে রূপান্তরিত করা সম্ভব? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উপযুক্ত পরিকল্পনা গ্রহণ করে দেশের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরিত করা সম্ভব। দেশের অশিক্ষিত ও কর্মহীন জনগোষ্ঠী বিশেষ করে তরুণদের জন্য শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও উপযুক্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে জনসংখ্যাকে অনায়াসে জনসম্পদে পরিণত করা সম্ভব। এর ফলে অধিক জনসংখ্যা তখন আর দেশের বোঝা হিসেবে গণ্য হবে না।

প্রশ্ন-২, নারীশিক্ষার প্রসারে সরকার বেশি গুরুত্ব দিয়েছে কেন?

উত্তর: জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে এবং দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য সরকার নারীশিক্ষার প্রসারে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে।

নারীরা শিক্ষিত হলে তাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পায়। ফলে তারা জনসংখ্যা বৃদ্ধির কুফল সম্পর্কে অবগত হয়। তাছাড়া শিক্ষিত হয়ে নারীরা কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। এসব কারণে সরকার নারীশিক্ষার ওপর জোর দিয়েছে।

যার উপর ভিত্তি করে জনসংখ্যাকে একটি দেশের জন্য কখনো বোঝা, আবার কখনো সম্পদবলা হয় 

প্রশ্ন-৩. জনসংখ্যা ও জনসম্পদ পরস্পর সম্পর্কিত ধারণা।

উত্তর: জনসংখ্যাকে একটি দেশের জন্য কখনো বোঝা, আবার কখনো সম্পদ বলা হয়। দেশের সম্পদের তুলনায় যদি জনসংখ্যা অধিক হয়, তখন জনসংখ্যা উত্ত দেশের জন্য বোঝা। আবার সম্পদের তুলনায় যদি জনসংখ্যা কম হয় এবং এ জনসংখ্যা যদি দক্ষ ও উৎপাদনশীল হয়, তাহলে এ জনসংখ্যাকে বলা হয় সম্পদ।

প্রশ্ন-৪. জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বেসরকারি উদ্যোগের সচেতনতা কার্যক্রম সম্পর্কে লেখো।

উত্তর: জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বেসরকারি সংস্থাগুলো জনগণকে সচেতন করার জন্য নানা উপকরণ তৈরি ও ব্যবহার করে। যেমন- পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে সাময়িকী, পোস্টার, ক্যালেন্ডার, চার্ট, নিউজলেটার, ডকুমেন্টারি ফিল্ম ইত্যাদি।

প্রশ্ন-৫. জনসংখ্যানীতির সাথে উন্নয়নের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: জনসংখ্যানীতির সফল বাস্তবায়নের ফলে একটি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সাধিত হয়। একটি দেশের জনসংখ্যা নীতি প্রণয়ন করা হয় দেশটির আর্থ-সামাজিক অবস্থার সাথে সামঞ্জস্য রেখে। এই নীতির মূল লক্ষ্যই হলো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দেশের সার্বিক উন্নয়ন করা। আর এ কারণেই জনসংখ্যানীতি ও উন্নয়ন পরস্পর সম্পর্কিত। 

তো শিক্ষার্থী বন্ধুরা আমাদের আজকের এই পাঠ আলোচনা এই পর্যন্ত।  আশা করি সবাই আজকের পাঠ আলোচনা থেকে অনেকগুলো প্রশ্নের সমাধান পেয়েছে এবং নিজেকে যাচাই করার সুযোগ পেয়েছো।  আবারও দেখা হবে নতুন কোন পাঠ আলোচনায়।  সে পর্যন্ত সবাই ভালো ও সুস্থ থাকবে।

 

আল্লাহ হাফেজ

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button