বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

বহুনির্বাচনি ও সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর | অষ্টম অধ্যায় | বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় | অষ্টম শ্রেনী

প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা কেমন আছো তোমরা। আশা করি সবাই ভালো ও সুস্থ আছো। আবারো তোমাদের মাঝে চলে আসলাম নতুন একটি পাঠ আলোচনা নিয়ে। তবে আজকের পাঠ আলোচনা হতে চলছে বিগত আলোচনা গুলির থেকে ভিন্ন। আমরা এখন থেকে প্রত্যেক অধ্যায়ের বহুনির্বাচনি, জ্ঞানমূলক ও অনুধাবন মূলক প্রশ্নগুলে নিয়ে নিয়ে আলোচনা করবো। যেগুলে খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সেগুলোই আমরা আলোচনা করবো। তো চলো শুরু করা যাক আজকে প্রশ্ন ও উত্তরের পাঠ আলোচনা।

সৃজনশীল বহুনির্বাচনি

  1. কতগুলো গ্যাসের সমন্বিত আচ্ছাদন- গ্রিনহাউস।
  2. গত এক শতাব্দীতে কার্বন-ডাই-অক্সাইড বেড়েছে- শতকরা ২৫ ভাগ।
  3. গত এক শতাব্দীতে নাইট্রাস অক্সাইডের পরিমাণ বেড়েছে- ১৯ ভাগ।
  4. সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ট্রপোস্ফিয়ারের উচ্চতা- ১২ কি.মি.।
  5. সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে- ওজোন স্তর।
  6. দুর্যোগ দুই প্রকার- প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট।
  7. প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটে- আকস্মিকভাবে।
  8. মানবসৃষ্ট দুর্যোগ ঘটে- অসচেতনতা বা দুরদৃষ্টির অভাবে
  9. জলাবদ্ধতা সৃষ্টি ও মরুকরণ- মানবসৃষ্ট দুর্যোগ।
  10. প্রাকৃতিক দুর্যোগের অন্যতম কারণ- ভৌগোলিক অবস্থান।
  11. বাংলাদেশের উত্তরে- হিমালয় পর্বত।
  12. বাংলাদেশের দক্ষিণে- বঙ্গোপসাগর।
  13. বাংলাদেশের নদীসমূহের উৎস- ভারত ও নেপাল।
  14. বাংলাদেশ দুর্যোগপ্রবণ– প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে।
  15. বন্যা প্রতিরোধে বাড়ির চারপাশে লাগাতে হবে- কলা, ঢোলকলমি ও ধৈঞ্চা।

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন-১. কোন মৌসুমে হঠাৎ শৈত্য ও উষ্ণ প্রবাহ লক্ষ করা যায়?

উত্তর: শীত মৌসুমে হঠাৎ শৈত্য ও উষ্ণ প্রবাহ লক্ষ করা যায়।

প্রশ্ন-২. সমুদ্র পৃষ্ঠের পানির উচ্চতা বাড়ার মূল কারণ কী?

উত্তর: সমুদ্র পৃষ্ঠের পানির উচ্চতা বাড়ার মূল কারণ বৈশ্বিক উষ্ণায়ন।

প্রশ্ন-৩, বায়ুর মূল উপাদান কী কী?

উত্তর: বায়ুর মূল উপাদান হলো নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন।

প্রশ্ন-৪. বায়ুমণ্ডলের গৌণ গ্যাসগুলোকে কী বলা হয়?

উত্তর: বায়ুমণ্ডলের গৌণ গ্যাসগুলোকে গ্রিনহাউস গ্যাস বলা হয়।

প্রশ্ন-৫. গ্রিনহাউস কী?

উত্তর: গ্রিনহাউস হলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলকে ঘিরে কতগুলো গ্যাসের সমন্বয়ে গঠিত একটি আচ্ছাদন।

প্রশ্ন-৬. গত এক শতাব্দীতে বায়ুমণ্ডলে নাইট্রাস অক্সাইডের পরিমাণ বেড়েছে শতকরা কত ভাগ?

উত্তর: গত এক শতাব্দীতে বায়ুমণ্ডলে নাইট্রাস অক্সাইডের পরিমাণ বেড়েছে শতকরা ১৯ ভাগ।

প্রশ্ন-৭. গত এক শতাব্দীতে বায়ুমণ্ডলে মিথেনের পরিমাণ বেড়েছে শতকরা কত ভাগ?

উত্তর: গত এক শতাব্দীতে বায়ুমণ্ডলে মিথেনের পরিমাণ বেড়েছে শতকরা ১০০ ভাগ।

প্রশ্ন-৮. ওজোন স্তরের ক্ষয়ের কারণে ভূপৃষ্ঠে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব শতকরা কত ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে?

উত্তর: ওজোন স্তরের ক্ষয়ের কারণে ভূপৃষ্ঠে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব শতকরা ৫ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রশ্ন-৯. বায়ুমণ্ডলের প্রথম স্তরের নাম কী?

উত্তর: বায়ুমণ্ডলের প্রথম স্তরের নাম ট্রপোস্ফিয়ার।

প্রশ্ন-১০. ওজোন স্তরের পূর্বের স্তরের নাম কী ?

উত্তর: ওজোন স্তরের পূর্বের স্তরের নাম স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার।

প্রশ্ন-১১. মানবসৃষ্ট দুর্যোগের প্রধান কারণ কী?

উত্তর: মানবসৃষ্ট দুর্যোগের প্রধান কারণ হলো মানুষের অসচেতনতা ও দূরদৃষ্টির অভাব।

প্রশ্ন-১২. ভূমিকম্প কী?

উত্তর: ভূমিকম্প হলো এমন একটি আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যার ফলে প্রচণ্ড ভূ-আলোড়নে অল্প সময়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ সাধিত হয়।

প্রশ্ন-১৩. বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে ইতোমধ্যে মরুকরণের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে?

উত্তর: বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে ইতোমধ্যে মরুকরণের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।

প্রশ্ন-১৪. সুনামির গতিবেগ ঘণ্টায় কত কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে?

উত্তর: সুনামির গতিবেগ ঘণ্টায় ৮০০ থেকে ১৩০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

প্রশ্ন-১৫. জাপানে সংঘটিত সুনামি কত মাত্রার ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্টি হয়?

উত্তর: জাপানে সংঘটিত সুনামি ৮.৯ মাত্রার ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্টি হয়।

প্রশ্ন-১৬. জাপানে সংঘটিত সুনামির কারণে কয়টি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়?

উত্তর: জাপানে সংঘটিত সুনামির কারণে ৫টি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

প্রশ্ন-১৭. বাংলাদেশের উত্তরে অবস্থিত পর্বতের নাম কী?

উত্তর: বাংলাদেশের উত্তরে অবস্থিত পর্বতের নাম হিমালয়।

প্রশ্ন-১৮. বাংলাদেশের অধিকাংশ ভূভাগ কীরূপ ভূমি দ্বারা গঠিত হয়েছে?

উত্তর: বাংলাদেশের অধিকাংশ ভূভাগ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি দ্বারা গঠিত হয়েছে।

প্রশ্ন-১৯. প্রতি বছর বাংলাদেশের শতকরা কতভাগ এলাকা বন্যায় প্লাবিত হয়?

উত্তর: প্রতি বছর বাংলাদেশের শতকরা ২০ ভাগ এলাকা বন্যায় প্লাবিত হয়।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন-১. হাইড্রো ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন কীভাবে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি করে?

উত্তর: হাইড্রো ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন ওজোন স্তরের ক্ষতি করার মাধ্যমে বৈশ্বিক উচ্চতা বৃদ্ধি করে। রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, প্লাস্টিক, ফোম, এরোসল প্রভৃতি ব্যবহারের ফলে বায়ুমণ্ডলে উৎপন্ন হচ্ছে হাইড্রো ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন। যার কারণে বায়ুমণ্ডলে ওজোনস্তর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে ভূপৃষ্ঠে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব শতকরা পাঁচ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এভাবেই বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

প্রশ্ন-২. উন্নত দেশগুলো বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য দায়ী কেন?

উত্তর: অধিক হারে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ করে বলে উন্নত দেশগুলো বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য দায়ী।

বিশ্বের উন্নত দেশগুলো অধিক হারে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার করে পরিবেশ নষ্ট করছে। তাছাড়া এসব দেশ পারমাণবিক চুল্লি ব্যবহার করে, যা থেকে প্রচুর বর্জ্য সৃষ্টি হয়। এই বর্জ্যও গ্রিনহাউস গ্যাস বৃদ্ধি করছে। এসব দেশের শিল্প-কারখানার বর্জ্যও বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য দায়ী।

প্রশ্ন-৩, বর্তমান বিশ্বে ব্যাপক হারে নগরায়ণের ফলে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে কেন?

উত্তর: নগরায়ণের ফলে গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে বৈশ্বিক উষ্ণতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বর্তমান বিশ্বে ব্যাপক হারে নগর গড়ে উঠছে। মানুষ কাজের খোঁজে শহরে ছুটছে। ফলে শহরে বাড়ছে জনসংখ্যার চাপ, বাড়ছে বিভিন্ন প্রকার যানবাহন। এসব যানবাহনের নির্গত কালো ধোঁয়া হচ্ছে কার্বন- ডাই-অক্সাইড। তাছাড়া শিল্পকারখানার কালো ধোঁয়াও নগরের বায়ুতে কার্বনের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে, যা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণ।

প্রশ্ন-৪. সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় উপকূলে কীৰূপ প্রভাব দেখা যাচ্ছে?

উত্তর: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি উপকূলীয় অঞ্চলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

সমুদ্রের পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ার কারণে উপকূলবর্তী অঞ্চলসমূহে অবাধে সমুদ্রের পানি ঢুকে পড়ছে। সমুদ্রের লবণাক্ত পানির প্রভাবে সবুজ গাছপালা, মৎস্যখামার, শস্যক্ষেতের ক্ষতি হচ্ছে। বাংলাদেশের উপকূলবর্তী অঞ্চলসমূহে ম্যানগ্রোভ ফরেস্টের ক্ষতি হচ্ছে। সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যও ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।

প্রশ্ন-৫. ভূমিকম্প বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: ভূমিকম্প বলতে প্রাকৃতিক কারণে ভূ-অভ্যন্তরে আলোড়নের ফলে সৃষ্ট দুর্যোগকে বোঝায়।

পৃথিবীতে যত রকম প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটে তার মধ্যে ভূমিকম্পই সবচেয়ে অল্প সময়ে সবচেয়ে বেশি ধ্বংসযজ্ঞ ঘটায়। এই দুর্যোগের কোনো পূর্বাভাস দেওয়া যায় না। একই স্থানে সাধারণত পরপর কয়েকবার বড়, মাঝারি ও মৃদু ধরনের ভূমিকম্প হয়ে থাকে।

প্রশ্ন-৬, সুনামির ভয়াবহতা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: প্রাকৃতিক দুর্যোগসমূহের মধ্যে সুনামি অত্যন্ত ভয়াবহ ও প্রলয়ঙ্করী দুর্যোগ। সুনামির ফলে সমুদ্রের পানি জলোচ্ছ্বাসের আকারে ভয়ঙ্কর গতিতে উপকূলের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে ঢুকে পড়ে। এর ফলে স্বল্প সময়ের মধ্যেই উপকূলের ঘর-বাড়ি, দালান, রেলপথ, রাস্তাঘাট, বৈদ্যুতিক যোগাযোগ ব্যবস্থা, বাণিজ্য কেন্দ্র প্রভৃতি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।

প্রশ্ন-৭. পাহাড়ে ভূমিধস হয় কেন?

উত্তর: প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট উভয় কারণে পাহাড়ে ভূমিধস হয়। দীর্ঘমেয়াদি ও ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড়ে ভূমিধস ঘটতে পারে। তা ছাড়া মানুষ বন উজাড় করে এবং পাহাড় কেটে ফেলে ভূমিধসের প্রকোপ বৃদ্ধি করছে। পাহাড়ের পাদদেশের মাটি কাটলে কিংবা পাহাড়ের ওপরে গর্ত করলেও এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। 

প্রশ্ন-৮. বাংলাদেশে বেশিরভাগ অগ্নিকান্ড সংঘটিত হয় কেন?

উত্তর: বাংলাদেশে মানুষের অসাবধানতার কারণেই বেশিরভাগ অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়।

অগ্নিকাণ্ড প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুটি কারণেই ঘটতে পারে। তবে আমাদের দেশে মানুষের অসতর্কতার কারণেই মূলত অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। গ্রাম ও শহরে জলন্ত চুলা, কুপি, মশার কয়েল, সিগারেটের আগুন প্রভৃতি থেকে অসাবধানতার কারণে অগ্নিকাণ্ড ঘটে থাকে। শিল্প-কারখানাতেও এ ধরনের অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়ে থাকে।

প্রশ্ন-৯. বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় কেন?

উত্তর: জলবায়ুর বৈশিষ্ট্যগত কারণে বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। যেকোনো দেশে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ নির্ভর করে দেশটির জলবায়ুর বৈশিষ্ট্যের ওপর। ক্রান্তীয় মৌসুমি অঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ বেশি হয়। বাংলাদেশের অবস্থান ও ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে। এ কারণে বাংলাদেশে বৃষ্টিপাত বেশি হয়ে থাকে।

প্রশ্ন-১০. দরিদ্র জনগোষ্ঠী প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় কেন?

উত্তর: দারিদ্র্যের কারণেই দরিদ্র জনগোষ্ঠী প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

আমাদের দেশে দারিদ্র্যের কারণে অধিকাংশ জনগোষ্ঠী প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার সামর্থ্য হারায়। তাছাড়া দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অধিকাংশই সাধারণত দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চলে বসবাস করে। তারা দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতিও দারিদ্র্যের কারণে সহজে কাটিয়ে উঠতে পারে না।

প্রশ্ন-১১. দুর্যোগ মোকাবিলায় সতর্ক সংকেতের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: দুর্যোগ মোকাবিলায় বিভিন্ন সতর্ক সংকেত দুর্যোগকালীন করণীয়

সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে অত্যন্ত সহায়ক। দুর্যোগের সতর্ক সংকেত থেকে দুর্যোগের তীব্রতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। যেমন- ৫ নং বিপদসংকেত অর্থ হলো দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে হবে। এভাবে দুর্যোগের সতর্ক সংকেত সম্পর্কে জানা থাকলে সহজেই দুর্যোগ মোকাবিলা করা সম্ভব হয়।

প্রশ্ন-১২, নদীভাঙন মোকাবিলায় প্রস্তুতি সম্পর্কে ধারণা দাও।

উত্তর: নদীভাঙন মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নদীভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিলে সহায়-সম্পদ রক্ষার প্রস্তুতি নিতে হবে। সময় থাকতে শিশু, বয়স্ক, গর্ভবতী ও প্রতিবন্ধীদের নিরাপদ আশ্রয়ে পাঠাতে হবে। ঘরের মূল্যবান সামগ্রী ও দলিলপত্র আগে থেকে নিরাপদ স্থানে সরাতে হবে। ভাঙন কাছাকাছি আসার আগেই থাকার ঘর নিরাপদ স্থানে সরাতে হবে।

তো শিক্ষার্থী বন্ধুরা আমাদের আজকের এই পাঠ আলোচনা এই পর্যন্ত।  আশা করি সবাই আজকের পাঠ আলোচনা থেকে অনেকগুলো প্রশ্নের সমাধান পেয়েছে এবং নিজেকে যাচাই করার সুযোগ পেয়েছো।  আবারও দেখা হবে নতুন কোন পাঠ আলোচনায়।  সে পর্যন্ত সবাই ভালো ও সুস্থ থাকবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button